Saturday, September 25, 2021

কবিতার মাধ্যমে কুরআনের অবাক করা তথ্য। কুরআনের বৈজ্ঞানিক দিক। বলবো নাকি কুরআনের অবাক করা তথ্য?

বলবো নাকি কুরআনের অবাক করা তথ্য? যা শুনলে কাঁপবে হৃদয় জাগবে মনুষ্যত্ব!! বলবো নাকি কুরআনের অবাক করা তথ্য? যা শুনলে কাঁপবে হৃদয় জাগবে মনুষ্যত্ব!! সবাই তবে কাজটি সেরে এই কবিতা পড়ো, মুমিন হলে গা ঘামবে কাঁপবে হৃদয় থরো। নাস্তিক তোমরা হা করে শোনো মহাগ্রন্থের বানী, তুমি মানো না অবুঝ বলে আমরা সবাই জানি। শোনো রে এবার নাস্তিকেরা মন দিয়োনা কোথাও, অন্ধকারে কেন সত্য ঝোপের মধ্যে লুকাও? এবার শোনো প্রথম কথা ঐশী গ্রন্থ কুরান, কারণগুলো বলছি এবার মনের পর্দা সরান। কে জানতো এই পৃথিবী বিগব্যাঙে হলো সৃষ্টি? সুরা আম্বিয়ার ত্রিশ আয়াতটি কাড়ে না তোমার দৃষ্টি? কে জানতো এই পৃথিবী চ্যাপ্টা নাকি গোল? নাযিয়াতের ত্রিশ আয়াত পড়রে চোখ খোল। কে জানতো মহাবিশ্ব সদা সম্প্রসারণশীল? যারিয়াতের সাতচল্লিশ আয়াতটি জুড়িয়ে দিলো দিল। কে জানতো চাঁদের আলো তার নিজস্ব নয়? সুরা ফুরকানের একষট্টি আয়াত সেই কথা যে কয়। কে জানতো দিবাকরও নিজ অক্ষে ঘুরে? সুরা আম্বিয়া তেত্রিশ আয়াত পড়ে দেখো সুরে। কে জানতো ফলের মাঝেও পুং-স্ত্রী থাকে? সুরা রাদের তিন আয়াতটি এই ছবিটাই আঁকে। কে জানতো মিষ্টি-লোনার অদৃশ্য অন্তরাল? সুরা ফুরকানের তিপ্পান্ন আয়াত সাক্ষী চিরকাল। কে জানতো বাষ্প হয়ে পানি উঠে আকাশে? সুরা ত্বরিকের এগার আয়াতে এই তথ্যই ভাসে। কে জানতো পাহাড়গুলো এই পৃথিবীর কীলক? নাবা সুরার আট আয়াতে এই কথাটির ঝলক। কে জানতো চামড়ার নিচে পেইন রিসেপ্টর আছে? সুরা নিসার ছাপ্পান্ন আয়াতে এই কথাটিই আছে। কে জানতো প্রত্যেক আঙ্গুলের ছাপ ভিন্ন ভিন্ন? সুরা কিয়ামার তিন চার আয়াত এই তথ্যের জন্য। কে জানতো মানব ভ্রুনের শ্রবণ ফোটে আগে? তখন সাজদা সুরার নয় আয়াতটির কথা মনে জাগে। কে জানতো এই পৃথিবী মাধ্যাকর্ষণ শক্তিতে আছে ঝুলে? নামল সুরার পনের আয়াতটি বলছে খুলে খুলে। ইতিহাসের কথায় এবার আসি বর্ণনায়, ফেরাউনের নামটি সবাই পাবে যে সেথায়। আল্লাহ বলেন, " ও ফেরাউন ! তোকে করবো সংরক্ষণ," তোকে এই পৃথিবীর কোন প্রাণী করবে নাকো ভক্ষণ। সুরা ইউনুসের বিরানব্বই আয়াত সেই ঘোষনার প্রমাণ, ও নাস্তিক ! এবার বলো এটা কি শুধু অনুমান? এখনো সেই লাশটি আছে মিশর যাদুঘরে, এখনো কি উদাস মনে থাকবে আধাঁর গোরে? চৌদ্দশত বছর আগে সব বলেছে কোরান, তাহলে আজ কেন বলো এই গ্রন্থ পুরান? কোরান হল শিক্ষক আর বিজ্ঞান তার ছাত্র, কোরান সবই সত্য বলে বিজ্ঞান অনুমান মাত্র। যত বিজ্ঞান, যত সত্য কোরান মাঝে পাবে, মহাসত্য না মেনে আজ কোথায় বলো যাবে? এক আল্লার বাণী বলো মিথ্যা হতে পারে? সত্য ন্যায়ের পথে যেটি ডাকে বারে বারে?

Tuesday, July 20, 2021

ঈদুল আজহা নামাজের নিয়ত ও নিয়ম বাংলায়

ঈদুল আজহা নামাজের নিয়ত ও নিয়ম বাংলায় ঈদ মানে আনন্দ ৷ খুশি ৷ ইসলাম স্বভাবজাত ধর্ম ৷ মানুষের আনন্দ বেদনা সবই স্বাভাবিক নিয়মে হয় ৷ মনকে প্রফুল্ল রাখতে ও নির্মল বিনোদনের জন্য ইসলাম বছরে বড় দুটি উৎসবের সুযোগ দিয়েছে ৷ প্রধান ধর্মীয় উৎসব হলো ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা । মুসলিম উম্মাহ প্রতি বছর দু’টি ঈদ উদযাপন করে। ঈদের খুশি প্রকাশ করে তারা সালাত আদায় ও কুরবানির মাধ্যমে ৷ ঈদের নামাজ আদায় করা ওয়াজিব। বছরে দুই বার ঈদের নামাজ পড়ার কারণে অনেকেই নামাজ পড়ার নিয়ম ভুলে যান। আবার কেউ কেউ জানাযার সাথে গুলিয়ে ফেলেন ৷ তাই আপনাদের সুবিধার্থে ঈদের নামাজের নিয়ম তুলে ধরা হলো- ঈদের নামাজ মূলত মাঠে, ঈদগাহে আদায় করা সুন্নাহ ৷ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম খোলা জায়গায় ঈদের নামাজ আদায় করতেন। আমাদের সমাজে ঈদগাহ অপ্রতুল ৷ কোনো কোনো সময় ঈদের দিন বৃষ্টি হয় ৷ সবমিলিয়ে যদি খোলা স্থানের ব্যবস্থা না থাকে তবে মসজিদেও ঈদের নামাজ পড়া যাবে। ঈদের নামাজ পড়ার নিয়ম ঈদের নামাজ খোলা জায়গা, মসজিদ কিংবা বাসা-বাড়ি যেখানেই পড়া হোক না কেন, অবশ্যই তা জামাআতের সঙ্গে পড়তে হবে। জুমআ নামাজ অনুষ্ঠিত হওয়ার জন্য যেসব শর্ত রয়েছে, ঈদের নামাজ আদায় করার জন্যও একই শর্ত প্রযোজ্য। ১ ৷ ওয়াকফকৃত জায়গায় ২ ৷ কমপক্ষে ৩ জনের জামায়াত ৩ ৷ খুতবা পাঠ ও শ্রবণ ৪ ৷ সূর্য উদিত হওয়ার পর দ্বিপ্রহরের আগে পড়া সুতরাং জামাআত ছাড়া ঈদের নামাজ আদায় করা যাবে না। বাসা-বাড়িতে ঈদের নামাজ আদায় করতে হলেও অবশ্যই জামাআতে ঈদের নামাজ আদায় করতে হবে। আর একান্ত অপারগতা ছাড়া বাসায় ঈদের জামায়াত শুদ্ধ হবে না ৷ যদি কোনো সমস্যা থাকে, বা কোনো পরিস্থিতির কারণে তিনি যদি ঈদগাহে না যেতে পারেন, তাহলে বাসায় পড়তে পারবেন। কিন্তু এ ছাড়া ঈদের নামাজ বাসায় পড়ার বিধান নেই। ঈদের নামাজ বাড়িতে পড়ার বিষয় নয়। তাহলে তো আর ঈদের সালাতের কোনো মূল্যই থাকল না। ঈদগাহের প্রয়োজন হলো না। ঈদের সালাতেরও কোনো প্রয়োজনীয়তা থাকবে না। তাহলে ঈদের মর্যাদাই তাহলে হারিয়ে যাবে। তবে, সমস্যার কারণে বাড়িতে পড়তে চাইলে তিনি পড়তে পারবেন। ঈদের নামাজের নিয়ম ঈদের নামাজের জন্য অন্যান্য ওয়াক্তিয়া নামাজের মতো কোনো আজান ও ইকামত নেই। তবে জুমআর নামাজের মতোই উচ্চ আওয়াজে কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে ঈদের নামাজ আদায় করতে হয়। দিনের বেলার সালাত হওয়া সত্ত্বেও অন্যান্য নামাজ থেকে ঈদের নামাজের পার্থক্য হলো অতিরিক্ত ৬টি তাকবির দিতে হবে। • প্রথম রাকাআতে ‘আল্লাহু আকবার’ বলে হাত বেঁধে অতিরিক্ত তিন তাকবির দিয়ে সুরা ফাতিহা পড়া। • দ্বিতীয় রাকাআতে সুরা মিলানোর পর অতিরিক্ত তিন তাকবির দিয়ে রুকতে যাওয়া। ঈদের নামাজের নিয়ত আরবি নিয়তঃ نويت ان اصلي لله تعالي ركعتي صلاة العيد الاضحى مع ستة تكبيرات واجب الله تعالى اقتديت بهذا الامام متوجها الى جهة الكعبة الشريفة الله اكبر ঈদুল আযহার নামাযের আরবি নিয়তের বাংলা উচ্চারণ: ‘নাওয়াইতু আন উছাল্লিয়া লিল্লাহি তা আলা রাকয়াতাই ছালাতি ঈদিল আযহা মাআ ছিত্তাতি তাকবীরাতি ওয়াজিবুল্লাহি তা আলা ইক্বতাদাইতু বিহাজাল ইমামি মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার। ঈদুল আজহার নামাজের নিয়ত বাংলা উচ্চারণ সহ ঈদের দুই রাকাআত ওয়াজিব নামাজ অতিরিক্ত ৬ তাকবিরের সঙ্গে এই ইমামের পেছনে কেবলামুখী হয়ে আল্লাহর জন্য আদায় করছি… আল্লাহু আকবার। প্রথম রাকাআত ১. তাকবিরে তাহরিমা ঈদের নামাজে নিয়ত করে তাকবিরে তাহরিমা ‘আল্লাহু আকবার’ বলে হাত বাঁধা। ২. ছানা পড়া ‘সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা ওয়া তাবারাকাসমুকা ওয়াতাআলা যাদ্দুকা ওয়া লা ইলাহা গাইরুকা। ৩. অতিরক্তি ৩ তাকবির দেয়া। এক তাকবির থেকে আরেক তাকবিরের মধ্যে তিন তাসবিহ পরিমাণ সময় বিরত থাকা। প্রথম ও দ্বিতীয় তাকবিরে উভয় হাত উঠিয়ে তা ছেড়ে দেয়া এবং তৃতীয় তাকবির দিয়ে উভয় হাত বেঁধে নেয়া। ৪. আউজুবিল্লাহ-বিসমিল্লাহ পড়া ৫. সুরা ফাতেহা পড়া ৬. সুরা মিলানো। অতপর নিয়মিত নামাজের মতো রুকু ও সেজদার মাধ্যমে প্রথম রাকাআত শেষ করা। দ্বিতীয় রাকাআত ১. বিসমিল্লাহ পড়া ২. সুরা ফাতেহা পড়া ৩. সুরা মিলানো। ৪. সুরা মিলানোর পর অতিরিক্ত ৩ তাকবির দেয়া। প্রথম রাকাআতের মতো দুই তাকবিরে উভয় হাত কাধ বরাবর উঠিয়ে ছেড়ে দেয়া অতপর তৃতীয় তাকবির দিয়ে হাত বাঁধা। ৫. তারপর রুকুর তাকবির দিয়ে রুকুতে যাওয়া। ৬. সেজদা আদায় করে তাশাহহুদ, দরূদ, দোয়া মাসুরা পড়ে সালাম ফেরানোর মাধ্যমে নামাজ সম্পন্ন করা। ঈদের খুতবা শোনা ঈদের নামাজে ইমাম কর্তৃক খুতবা পড়া সুন্নত এবং মুসুল্লিদের খুতবা শোনা ওয়াজিব। জুমার নামাজের ন্যায় প্রথমে বিষয় ভিত্তিক খুতবা এবং পরে সানি খুৎবা পাঠ করতে হয়। … সাধারণত খুতবার পরে দোয়া করা হয়। ঈদের নামাজ পড়ার পর ইমাম খুতবা দেবে আর মুসল্লিরা খুতবা মনোযোগের সঙ্গে শুনবে। অবশ্য অনেকেই খুতবা না দেয়ার ব্যাপারে শিথিলতার কথা বলেছেন। খুতবা না দিলেও ঈদের নামাজ আদায় হয়ে যাবে বলে মত দিয়েছেন। ঈদুল আজহার দিনের বিশেষ সুন্নাত ঈদুল আজহার বিশেষ সুন্নাত ঈদের দিনের সুন্নত হলো- ১. খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠা ২. গোসল করা ৩. মিস্ওয়াক করা ৪. সামর্থ্য অনুযায়ী নতুন পোশাক পরিধান করা ৫. আতর ব্যবহার করা ৬. মহল্লার মসজিদে গিয়ে জামায়াতে ফজরের নামায আদায় করা ৭. ঈদগাহে হেঁটে যাওয়া ৮. ঈদুল আযহার দিন সকালে কিছু না খেয়ে ঈদগাহে যাওয়া ৯. ঈদুল আজহার দিন পবিত্র কুরবানীর গোশত দিয়ে খাওয়া শুরু করা ১০. ঈদগাহে এক রাস্তা দিয়ে যাওয়া এবং অন্য রাস্তা দিয়ে ফিরে আসা ১১. সকাল সকাল পবিত্র ঈদের নামায পড়ার জন্য যাওয়া ১২. ঈদের নামায ঈদগাহে গিয়ে পড়া, সম্ভব না হলে মহল্লার মসজিদে গিয়ে ঈদের নামায পড়া। ১৩. নিম্নোক্ত দোয়া পড়তে পড়তে ঈদগাহে যাওয়া: الله اكبر الله اكبر لا اله الا الله والله اكبر الله اكبر ولله الحمد উচ্চারণঃ আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার ওয়া লিল্লাহিল হাম্দ। ১৪. শরীয়তের সীমার মধ্যে থেকে খুশি প্রকাশ করা ইত্যাদি ঈদের সুন্নত।

Thursday, July 8, 2021

প্রতিদিনের কিছু সুন্নাহ যা অনুসরণ করা খুবই জরুরি

#আসুন_প্রতিদিন_কিছু_সুন্নাহ_অনুসরণ_করি। ১। ঘুম থেকে উঠে হাত দিয়ে মুখের ঘুমের চিহ্ন মুছে ফেলা। (বুখারী ১৮৩) ২। ঘুম থেকে জাগ্রত হয়ে দোআ পড়া। (বুখারী ৬৩১২) ৩। মিসওয়াক করা। (বুখারী :২৪৫) ৪। ঘুম হতে উঠে নাকে ৩ বার পানি দেয়া। (কারণ শয়তান রাতে নাকের ভেতর ঘুমিয়ে থাকে) (মুসলিম ২৩৮) ৫। দু হাত কবজি পর্যন্ত ধোয়া। (মুসলিম :২৭৮) ৬।বাম পা দিয়ে টয়লেটে প্রবেশ করা ও দোআ পড়া। (বুখারী :৬৩২২) ৭। ডান পা দিয়ে টয়লেট হতে বের হওয়া ও দোআ পড়া। (আবু দাউদ ৩০) ৮। অজুর সুন্নাহগুলো পালন করা- -বিসমিল্লাহ বলা -ডান দিক হতে অজু শুরু করা -কুলি করা -নাকে ৩ বার পানি দেয়া -২ হাত কব্জি পর্যন্ত ধোয়া -প্রত্যেকবার অজুর আগে মিসওয়াক করা -ঘন দাঁড়ি খিলাল করা -মাথা মাসেহ করা -দুহাত ও দুপায়ের আঙুলগুলো খিলাল করা -অজু শেষে দোআ পড়া। ৯। প্রত্যেক ভালো কাজ ডান দিক হতে শুরু করা,যেমন-চুল আচড়ানো, জুতা পড়া,পোষাক পড়া। ১০। খাওয়ার শুরু ও শেষে দোআ পড়া। ১১। বাড়ি থেকে বের হওয়া ও ঢোকার সময় দোআ পড়া। ১২। ডান পা দিয়ে বাড়িতে প্রবেশ করা, সালাম দেয়া। ১৩। বাম পা দিয়ে বাড়ি থেকে বের হওয়া, সালাম দেয়া। ১৪। খাওয়ার সময় পড়ে যাওয়া খাবার উঠিয়ে পরিষ্কার করে খাওয়া। ১৫। প্লেট, আঙুল চেটে পরিষ্কার করে খাওয়া। ১৬। বসে পানি পান করা। ১৭। ৩ ঢোকে পানি পান করা। ১৮। পানিতে নিঃশ্বাস না ফেলা। ১৯। পোশাক ডান দিক হতে পড়া। ২০। পোশাক বাম বাম দিক হতে খোলা। ২১। Hello, Hi, bye না বলে সালাম দেয়া। ২২। মুচকি হাঁসা। ২৩। ওপরে ওঠার সময় " আল্লাহু আকবার "বলা। ২৪। নিচে নামার সময় "সুবহান আল্লাহ্ "বলা। ২৫। চাশত, ইশরাক,তাহাজ্জুদ এর নামাজ পড়া। ২৬। সাক্ষাতের শুরু ও শেষে সালাম দেয়া, সাক্ষাত শেষে মুসাফাহ করা। ২৭। সাক্ষাতে ভালো কথা বলা, হাসিমুখে কথা বলা। ২৮। সবসময় নেক কাজের নিয়াত করা। ২৯। চলে ফিরতে জিকির করা। (বাসে, রিকশায়, শুয়ে বসে জিকির করা।) ৩০। দুশ্চিন্তার সময়," লা হাওলা ওয়ালা কুওয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ পড়া। " ৩১। কাজ শেষে " আলহামদুলিল্লাহ্‌ "বলা। ৩২। খারাপ অবস্থায় " ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন " বলা। ৩৩। হাঁচি দেয়ার পর, "আলহামদুলিল্লাহ্ " বলা। ৩৪। হাই আসলে , " লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ্ " পড়া। ৩৫। দুঃখজনক অবস্থায়, " আলহামদুলিল্লাহ্‌ আলা কুল্লি হাল " বলা। ৩৬। সুন্দর কিছু দেখলে, " মাশা আল্লাহ্ " বলা। ৩৭। আশ্চর্যজনক কিছু দেখলে,"সুবহান আল্লাহ " বলা। ৩৮। ভুল কথা / কাজ হয়ে গেলে," আস্তাগফিরুল্লাহ্ " বলা। ৩৯। দুপুরে খাওয়ার পর একটু শুয়ে বিশ্রাম নেয়া। ৪০। খারাপ কিছু দেখলে, " নাউজুবিল্লাহ্ "বলা। ৪১। কেউ উপকার করলে, "জাযাকাল্লাহু খইর "বলা। ৪২। জাযাকাল্লাহু খইর এর উত্তরে, " বারাকাল্লাহু ফি/ ওয়া ইয়্যাকা "বলা। ৪৩। ভবিষতে কিছু করতে চাইলে," ইনশা-আল্লাহ " বলা। ৪৪। কোনো অজানা বিষয়ে, "ওয়াল্লাহু আলম " বলা। সারাদিন কাটুক অসংখ্য সুন্নাতে!!!

Friday, April 16, 2021

আয়াতুল কুরসীর ফজিলত

#আয়াতুল_কুরসীর_ফজিলতঃ- ১। যে ব্যক্তি দিনের যে সময় আয়াতুল কুরসী তেলাওয়াত করবে সে সময় হতে পরবর্তী ২৪ ঘন্টা একজন ফেরেশতা তার আমলনামায় সওয়াব লিখতে থাকবে আর অন্য একজন ফেরেশতা তার আমলনামা হতে গুনাহসমূহ কাটতে থাকবে। ২। যে ব্যক্তি প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের সালাম ফিরানোর পর আয়াতুল কুরসী তেলাওয়াত করবে সে ওয়াক্ত হতে পরবর্তী ওয়াক্তের মধ্যবর্তী সময়ে মারা গেলে সাথে সাথে বেহেশতে দাখেল হয়ে যাবে। ৩। যে ব্যক্তি প্রতিদিন এশার নামজের পর ঘুমানোর সময় আয়াতুল কুরসী তেলাওয়াত করবে তার জান ও মালের আল্লাহ নিজে হেফাযত করবে। এছাড়াও আয়াতুল কুরসীর আরো অনেক ফজিলত আছে। আয়াতুল কুরসীতে মোট ১০টি অংশ আছে। প্রতিদিন একটি করে অংশ মুখস্থ করলে ১০ দিনে খুব সহজে আয়াতুল কুরসী মুখস্থ হয়ে যাবে। আয়াতুল কুরসী শিখা ও আমল করা খুব জরুরী। আল্লাহ আমদের সবাইকে আয়াতুল কুরসী শিখার ও আমল করার তৌফিক দান করুন।